নিলাস্মিতা ,
হয়তো তোমার হাসিমাখা উচ্ছল মুখ আমি আজ অব্দি দেখিনি ,তবুও সম্বোধন করলাম নিলাস্মিতা দিয়ে । রাগ করলে না তো ?
ভালোবাসার জন্য কোনো কারন , উপমা , ব্যাখ্যা কিছুই লাগে না । নীলিমায় যেমন একটু একটু মেঘ জমতে জমতে পরিস্ফুটন ঘটায় ঝমঝমে বৃষ্টি তেমনি হিরণ্যরেতায় পরিবেষ্টিত বৈচিত্র্যের মানবচিত্তে সামান্য আদ্রতার আঁচ লাগলেই তা দিয়ে গড়ে তোলে সাতরঙা রঙধনু ।
আমাদের এই সমাজে শুধু পুঁজিবাদ আর বৈষম্য । নিরবতায় পৌনঃপুনিক আড়মোড়া দিতে গিয়ে দেখি ঠোঁটে বিঁধে আছে আজস্র আলপিন । কিভাবে তোমায় বলবো বলো ?
হাংরি হাংরি বলে একদল উন্মাদ কবি চিৎকার করছিলো আমি ওদের প্রতিনিধি হয়ে জন্মেছিলাম । তোমাদের আধুনিকতার রূপোলী ফুয়েলে মোড়ান চিকচিকে এই সমাজে আমি একেবারে বেমানান । আমার হাড় ও পাঁজরে লেগে আছে সস্তা তামাক আর মৌনতার ক্ষত ।
তোমায় দোষ দিব না ! শুভ্র বক বা মাছরাঙার রঙিন পালক দেখে অভিভূত হতেই পারো । কিন্তু জানতো , প্রবল বর্ষণের সিক্ততা চড়ূই আস্তিনে মাখলেও বাবুইয়ের ঘরে যায় না । আমি হয়তো সেই ছোট্ট শহুরে স্পেরো ।
আমার বুঝি সাধ জাগে না কাউকে নিয়ে স্বপ্নের ঊর্ণাজাল বুনতে ? তোমার কাঠামো আমার প্রয়োজন নেই , তোমার মাঝে যে এক ঐশিদগ্ধ আত্মা আছে সেখানে হিরণ্যদ্যূতির আভার ন্যায় মিলিয়ে যেতে ইচ্ছে হয় ।
অনন্য এই জীবনে মুর্হমুহ মুখোমুখি হই মৃত্যুর সঙ্গে । আমি যে বাঁচতে চাই ! আমার ভেজা আস্তিন ; একটু ঠাঁই দিবে তোমার হৃদ প্রকোষ্ঠে ?
কথা দিচ্ছি , ফুয়েলে মোড়ানো কৃত্রিম সামাজিকতা না দেখাতে পারলেও ; তোমায় শোনাতে পারি নীলকণ্ঠ পাখির ডাক , ঝাউবনের শনশন শব্দ । দেখাতে পারি মিটিমিটি করে জ্বলা জোনাকির আলো আর এনে দিতে পারি অফুরান জোছনা ।
অনুভবে অনেক কিছুই উপলব্ধি করা যায় , জানি ভালো আছো । দূর থেকে যদি ঈশ্বরের আরাধনা করা যায় তবে অনুভবে তোমায় উপলব্ধি করাটা দোষের হবে না ।
পরিশিষ্ট : হয়তো তোমার হাসিমাখা উচ্ছল মুখ আমি আজ অব্দি দেখিনি ,তবুও সম্বোধন করলাম নিলাস্মিতা দিয়ে । রাগ করলে না তো ?
ভালোবাসার জন্য কোনো কারন , উপমা , ব্যাখ্যা কিছুই লাগে না । নীলিমায় যেমন একটু একটু মেঘ জমতে জমতে পরিস্ফুটন ঘটায় ঝমঝমে বৃষ্টি তেমনি হিরণ্যরেতায় পরিবেষ্টিত বৈচিত্র্যের মানবচিত্তে সামান্য আদ্রতার আঁচ লাগলেই তা দিয়ে গড়ে তোলে সাতরঙা রঙধনু ।
আমাদের এই সমাজে শুধু পুঁজিবাদ আর বৈষম্য । নিরবতায় পৌনঃপুনিক আড়মোড়া দিতে গিয়ে দেখি ঠোঁটে বিঁধে আছে আজস্র আলপিন । কিভাবে তোমায় বলবো বলো ?
হাংরি হাংরি বলে একদল উন্মাদ কবি চিৎকার করছিলো আমি ওদের প্রতিনিধি হয়ে জন্মেছিলাম । তোমাদের আধুনিকতার রূপোলী ফুয়েলে মোড়ান চিকচিকে এই সমাজে আমি একেবারে বেমানান । আমার হাড় ও পাঁজরে লেগে আছে সস্তা তামাক আর মৌনতার ক্ষত ।
তোমায় দোষ দিব না ! শুভ্র বক বা মাছরাঙার রঙিন পালক দেখে অভিভূত হতেই পারো । কিন্তু জানতো , প্রবল বর্ষণের সিক্ততা চড়ূই আস্তিনে মাখলেও বাবুইয়ের ঘরে যায় না । আমি হয়তো সেই ছোট্ট শহুরে স্পেরো ।
আমার বুঝি সাধ জাগে না কাউকে নিয়ে স্বপ্নের ঊর্ণাজাল বুনতে ? তোমার কাঠামো আমার প্রয়োজন নেই , তোমার মাঝে যে এক ঐশিদগ্ধ আত্মা আছে সেখানে হিরণ্যদ্যূতির আভার ন্যায় মিলিয়ে যেতে ইচ্ছে হয় ।
অনন্য এই জীবনে মুর্হমুহ মুখোমুখি হই মৃত্যুর সঙ্গে । আমি যে বাঁচতে চাই ! আমার ভেজা আস্তিন ; একটু ঠাঁই দিবে তোমার হৃদ প্রকোষ্ঠে ?
কথা দিচ্ছি , ফুয়েলে মোড়ানো কৃত্রিম সামাজিকতা না দেখাতে পারলেও ; তোমায় শোনাতে পারি নীলকণ্ঠ পাখির ডাক , ঝাউবনের শনশন শব্দ । দেখাতে পারি মিটিমিটি করে জ্বলা জোনাকির আলো আর এনে দিতে পারি অফুরান জোছনা ।
অনুভবে অনেক কিছুই উপলব্ধি করা যায় , জানি ভালো আছো । দূর থেকে যদি ঈশ্বরের আরাধনা করা যায় তবে অনুভবে তোমায় উপলব্ধি করাটা দোষের হবে না ।
তুমি মহাশক্তি তুমি জয়লক্ষ্মী
তুমি উচ্ছল তরুণ প্রাণ
তুমি প্রেম তুমিই অভিমান
হিয়ার লুকানো সুরের গান ।।
আশরাফ আল যায়েদ
৫ই চৈত্র ১৪২২

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন